নিজস্ব প্রতিবেদক:- বরিশাল নগরীর গীর্জা মহল্লায় আদালতের আদেশ অমান্য করিয়া অন্যের দোকান ঘর অন্যায়ভাবে জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে হোটেল আল জামিয়ার বিরুদ্ধে। বিএনপির নেতার দাপটে খোদ কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ অসহায় হয়ে পরেছে। মামলার বিবরনে জানাযায়, বরিশাল নগরীর গীর্জা মহল্লা এলাকার বরিশালের ঐতিহ্যবাহী হোটেল ওয়াজেদিয়ার দীর্ঘ বছর পূর্বে নির্মিত দেয়ালের উপরে পার্শ্ববর্তী আল জামিয়া হোটেল কর্তৃপক্ষ লোহার এঙ্গেল দিয়ে অবৈধভাবে দখল করছে। আল জামিয়া হোটেলের নিজের কোন জমি না থাকায় ওয়াজেদিয়ার নির্মিত দেয়ালের উপরে গোপনে কৌশলে দখল করেছে। বিষয়টি জানতে পেরে ওয়াজেদিয়ার মালিকপক্ষ সালাউদ্দিন বাধা দিলে তাকে প্রাণ নাসের হুমকি প্রদান করেন আল জামিয়ার মালিক বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন ও পার্টনার মাহবুব হোসেন মুন্না। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ইচ্ছাকৃতভাবে লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে সংযোগ স্থাপন করে ঝুঁকির মুখে ফেলছে হোটেল ওয়াজেদিয়া কে। এতে ঘটে যেতে পারে যে কোন সময় বড় কোন দুর্ঘটনা। এমনকি প্রাণহানিও ঘটতে পারে।হোটেল ওয়াজেদিয়ার মালিক সালাউদ্দিন জানান বরিশালের ১৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন তথ্য গোপন করে তার ২ মেয়ে ফারহানা ও ফাহমিদা এর নামে আমার বোন সাবিনা ইয়াসমিন এর কাছ থেকে ওয়ারিশ সম্পত্তির কিছু অংশ কিনে নেয় মিথ্যা ও ভুল বুঝিয়ে। বিষয়টি জানতে পেরে সাবিনা ইয়াসমিনের বড় ভাই আমি সালাউদ্দিন আদালতের দুটি মামলা দায়ের করি। যার নং ৬০৯/২০২৫ ও ৬১০/২০২৫।মামলা করায় ক্ষিপ্ত হয়ে জোরপূর্বক ভাবে আমাকে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন সময় হেয়প্রতিপন্ন করে আসছে।বর্তমানে বিএনপি’র দাপট দেখিয়ে আমার পৈত্রিক সম্পত্তি বরিশালের ঐতিহ্যবাহী হোটেল ওয়াজেদিয়া দখল করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো জানান গত ২৩/১১/২০২৫ তারিখ আমার হোটেলের ছয়টি খুঁটি কেটে আল-জামিয়ার মালিক আনোয়ার ও পার্টনার মুন্না লোহার এঙ্গেল হোটেল ওয়াজেদিয়া মধ্যে ঢুকিয়ে ঝুকিতে ফেলে দেয়। তাকে বাধা দিলে সে ক্ষমতা দাপট দেখিয়ে তা কর্ণপাত না করে,কাজ চালিয়ে যায়।
অসহায় সালাউদ্দিন বাধ্য হয়ে আদালতে শরণাপন্ন হয়ে বরিশাল বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন,যার নং ১৮০৪/২০২৫।আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও হোটেল আল জামিয়ার পক্ষে বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন ও তার ব্যবসায়িক পার্টনার মুন্না আইন বা আদালতের নির্দেশ কোন কিছুই তোয়াক্কা না করে জোর করে , ভয় ভীতি দেখিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।আদালতের রায় অমান্য করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ একাধিকবার ঘটনাস্থলে এসে নিষেধ করলেও তা তোয়াক্কা করছেন না আনোয়ার হোসেন ও মুন্না। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন ও হোটেল ওয়াজিদিয়ার কর্তৃপক্ষ।অপর সূত্রে জানায় আনোয়ার হোসেন বরিশালের একজন চিহ্নিত ভূমি দস্যু বরিশাল জেলা পুলিশ বাকেরগঞ্জ সার্কেল অফিসের একটি সরকারি জমি দখল করে প্রাচীর নির্মাণ এর অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল জেলা পুলিশের জমি দখলের ঘটনায় আনোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রী সহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানা একটি মামলা দায়ের করেছিল বরিশাল জেলা পুলিশ। মামলায় ৬নং আসামি আনোয়ার হোসেন ও ৪ নং আসামি হিসাবে তার স্ত্রীর নাম উল্লেখ রয়েছে।

